উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল জীববৈচিত্র অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Geography Biodiversity Chapter Question and Answer
উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল জীববৈচিত্র অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Geography Biodiversity Chapter Question and Answer - এই দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রশ্ন ও উত্তর – WBCHSE Class 12 Geography Biodiversity Chapter Question and Answer, Suggestion, Notes – বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। MCQ, Very Short, Short, Descriptive Question and Answer গুলি আগামী West Bengal Class 12th Twelve XII Geography Examination – পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
| ☛ Table of Contents |
জীববৈচিত্র / Biodiversity
- i. জিনগত বৈচিত্র্য: একই প্রজাতির ভেতরে বিভিন্ন ব্যক্তির জিনগত পার্থক্য বোঝায়।
- ii. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য: বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী এবং উদ্ভিদের মধ্যে বৈচিত্র্য বোঝায়।
- iii. বাস্তুসংস্থানিক বৈচিত্র্য: জীব এবং তাদের পরিবেশের পারস্পরিক ক্রিয়া সম্পর্কিত বৈচিত্র্য।
উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল জীববৈচিত্র MCQ প্রশ্ন ও উত্তর | HS Geography Biodiversity Chapter MCQ Question and Answer
1) নীলগিরি Biosphere Reserve কোন রাজ্যে অবস্থিত ?A) অসমB) তামিলনাড়ু C) উত্তরাখণ্ড D) মেঘালয় Ans: B) তামিলনাড়ু 2) পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্যের দেশ হলো-A) ব্রাজিলB) ভারত C) অস্ট্রেলিয়া D) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র Ans: A) ব্রাজিল 3) ভারতে বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইন কত সালে পাশ হয় ?A) 1972B) 1970 C) 1980 D) 1986 Ans: A) 1972 4) বর্তমানে পৃথিবীতে বনভূমির শতকরা অনুপাতA) 30 %B) 40 % C) 50 % D) 60 % Ans: A) 30 % 5) জীববৈচিত্র্যের উষ্ণকেন্দ্রের (Hotspot ) একটি উদাহরণ হলো—A) গির অরণ্যB) শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেন C) করবেট জাতীয় উদ্যান D) লোকটাক হ্রদ Ans: D) লোকটাক হ্রদ |
6) ভরতপুর পাখি সংরক্ষণাগারটি কোথায় অবস্থিত ?A) কর্নাটকেB) উত্তরপ্রদেশে C) তামিলনাড়ুতে D) রাজস্থানে Ans: D) রাজস্থানে 7) জীববৈচিত্র্য শব্দটি সর্বাধিক গুরুত্ব পায়—A) রিয়ো – ডি – জেনেইরোB) জোহানেসবার্গ C) মন্ট্রিল D) জাকার্তা — সম্মেলন Ans: A) রিয়ো – ডি – জেনেইরো 8) ভারতের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য রয়েছেA) উড়িষ্যায়B) পশ্চিমবঙ্গে C) গুজরাটে D) অন্ধ্রপ্রদেশে Ans: B) পশ্চিমবঙ্গে 9) জীববৈচিত্র্যের জনক হলেন—A) লাভজয়B) রসেন C) উইলসন D) পার্কার Ans: C) উইলসন 10) একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের ভিন্ন বাসস্থানের জীবগোষ্ঠীর মধ্যে যে বৈচিত্র্য থাকে তাকে বলে—A) আলফা বৈচিত্র্যB) বিটা বৈচিত্র্য C) গামা বৈচিত্র্য D) ফাই বৈচিত্র্য Ans: C) গামা বৈচিত্র্য |
উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল জীববৈচিত্র অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | HS Geography Question and Answer
1) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কাকে বলে ?
Ans: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের উদ্ভিদ ও প্রাণীর সংরক্ষণকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বলে ।2) ভারতের বৃহত্তম জীববৈচিত্র্য হটস্পট কোনটি ?
Ans: ভারতের বৃহত্তম জীববৈচিত্র্য হটস্পট হলো হিমালয় পার্বত্যাঞ্চল ।3) জীববৈচিত্র্য বিনাশের দু’টি কারণ লেখো ।
Ans: বৃক্ষচ্ছেদন , চোরাশিকার , অত্যধিক পশুচারণ , কৃষি ও বাসভূমির সম্প্রসারণ , অতিরিক্ত অর্থনৈতিক ব্যবহার ইত্যাদি ।4) আলফা বৈচিত্র্য কাকে বলে ?
Ans: একই বাসস্থান বা অঞ্চলে অবস্থিত জীবগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ বৈচিত্র্যকে আলফা বৈচিত্র্য বলে ।5) গ্রিন ডেটা বুক কী ?
Ans: গ্রিন ডেটা বুক হলো একটি তালিকা যেখানে অবলুপ্তির বিপদ থেকে মুক্ত জীব প্রজাতির উল্লেখ থাকে ।6) বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দু’টি পদ্ধতির উল্লেখ করো ।
Ans: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দু’টি পদ্ধতি হলো জিন বৈচিত্র্য সংরক্ষণ , প্রাণী উদ্যান গঠন ।7) বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ কাকে বলে ?
Ans: UNESCO- এর Man and Biosphere Reserve কর্মসূচির অন্তর্গত যে স্থলজ ও জলজ অঞ্চলে গোটা বাস্তুতন্ত্র ও তার সম্পূর্ণ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত হয় । তাকে বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ বলে ।8) বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে ‘ বাফার এলাকা ‘ কাকে বলে ?
Ans: বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে যেখানে শিক্ষা ও গবেষণামূলক কাজকর্ম চলে কিন্তু মানুষের অর্থনৈতিক কাজকর্ম নিষিদ্ধ তাকে ‘ বাফার এলাকা ‘ বলে ।9) ভারতের বন্য গাধা সংরক্ষণাগার কোন রাজ্যে অবস্থিত ?
Ans: ভারতের বন্য গাধা সংরক্ষণ গুজরাট রাজ্যের কচ্ছের ছোটো রান অঞ্চলে অবস্থিত ।উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল জীববৈচিত্র রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর | HS Geography Essay Question and Answer
1) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা কী? or জীববৈচিত্র্যের পাঁচটি গুরুত্ব লেখো
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পরিবেশ, অর্থনীতি, এবং মানবজীবনের উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এক টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করে। এর কিছু প্রধান কারণ হলো:- i). প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা: জীববৈচিত্র্য প্রতিটি প্রজাতির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বজায় রাখে, যা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক। প্রতিটি প্রজাতি খাদ্য শৃঙ্খল এবং বাস্তুতন্ত্রে ভূমিকা পালন করে। একটি প্রজাতির বিলুপ্তি অন্যান্য প্রজাতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- ii). মানবজীবনের ওপর প্রভাব: আমরা প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। কৃষি, ঔষধ, জ্বালানি, এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণ জীববৈচিত্র্য থেকে আসে। উদাহরণস্বরূপ, অনেক ঔষধ উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
- iii). জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা: জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে পারি। উদ্ভিদ ও বনভূমি কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
- iv). অর্থনৈতিক মূল্য: জীববৈচিত্র্য পর্যটন এবং কৃষির মতো অর্থনৈতিক খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর সুরক্ষা না থাকলে অনেক অর্থনৈতিক খাত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
- v). বাস্তবিক এবং নৈতিক দায়িত্ব: প্রতিটি প্রজাতির বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে এবং তাদের অস্তিত্ব সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এছাড়া, পরিবেশের সঠিক ব্যবস্থাপনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক সুস্থ এবং টেকসই পৃথিবী নিশ্চিত করবে।
2) জীববৈচিত্র্যের পাঁচটি গুরুত্ব লেখো
- i) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা : জীববৈচিত্র্য প্রজাতি বিলুপ্তি ঠেকাতে সহায়তা করে । প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে ।
- ii) জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ : অরণ্যাঞ্চলের উদ্ভিদ বাষ্পমোচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মেঘ ও বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করে ।
- iii) জীবমণ্ডল সংরক্ষণ : সৌরশক্তি উদ্ভিদদেহে আবদ্ধ হয় । খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে ওই শক্তিপ্রবাহ ঘটে জীবজগতের অস্তিত্ব রক্ষিত হয় ।
- iv) অর্থনৈতিক মূল্য : মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য , বস্ত্র , বাসস্থান , ওষুধপত্র প্রভৃতি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল । জীববৈচিত্র্যের মাধ্যমেই মানুষ তার চাহিদা মেটাতে
- v) নান্দনিক গুরুত্ব : প্রকৃতিতে গাছপালা , পশুপাখিদের অপরূপ সৌন্দর্যের কারণে বিভিন্ন পার্ক , ইকো ট্যুরিজম , বায়োস্ফিয়ার পার্ক গড়ে উঠেছে ।
3) জীববৈচিত্র্য বিনাশের প্রভাব কী
জীববৈচিত্র্য বিনাশের প্রভাব অত্যন্ত গুরুতর এবং এটি পরিবেশ, মানবজীবন, অর্থনীতি, এবং সামাজিক কাঠামোর ওপর নানা ধরণের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর কয়েকটি প্রধান প্রভাব হলো:- 1. প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়া: জীববৈচিত্র্যের বিনাশের ফলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হয়। প্রতিটি প্রজাতি খাদ্য শৃঙ্খলে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে, যা নষ্ট হলে অন্য প্রজাতির অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়ে। এতে মাটি, পানি, এবং বায়ুর গুণগত মানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- 2. খাদ্য সংকট ও কৃষির ওপর প্রভাব: জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ফলে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী বিলুপ্ত হয়, যা খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফসলের পরাগায়নকারী কীটপতঙ্গের বিলুপ্তি কৃষি উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং ফলাফল হিসেবে খাদ্য সংকট দেখা দেয়।
- 3. ঔষধ ও চিকিৎসা ক্ষেত্রের সংকট: অনেক ঔষধ এবং চিকিৎসা উপকরণ উদ্ভিদ ও প্রাণীজ সম্পদ থেকে পাওয়া যায়। জীববৈচিত্র্য কমে গেলে নতুন ঔষধ আবিষ্কার কঠিন হয়ে পড়ে এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে অগ্রগতি থেমে যেতে পারে।
- 4. জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: জীববৈচিত্র্য নষ্ট হওয়ার ফলে কার্বন শোষণের হার কমে যায়, যা জলবায়ু পরিবর্তনের গতি বাড়ায়। এতে বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ এবং ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিমাণ ও তীব্রতা বেড়ে যায়।
- 5. অর্থনৈতিক ক্ষতি: পর্যটন, কৃষি, এবং বনজ সম্পদের ওপর নির্ভরশীল অনেক দেশের অর্থনীতির জন্য জীববৈচিত্র্য বিনাশ বিপর্যয় ডেকে আনে। বনভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধস নামে।
- 6. মানব স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব: জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ফলে রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। উদাহরণস্বরূপ, বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বিলুপ্তির ফলে জীবজগতের অভ্যন্তরে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিস্তার বাড়তে পারে, যা নতুন রোগের সৃষ্টি করতে পারে।
4) ক্রান্তীয় অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সর্বাধিক লক্ষ করা যায় । এর কারণগুলি হলো –
ক্রান্তীয় অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সর্বাধিক লক্ষ করা যায়, এবং এর কয়েকটি প্রধান কারণ হলো:- 1. উষ্ণ ও স্যাঁতসেঁতে জলবায়ু: ক্রান্তীয় অঞ্চলে সারা বছরই উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে, যা উদ্ভিদ ও প্রাণীদের জীবনচক্রের জন্য উপযোগী। এই ধরনের পরিবেশে প্রাণী ও উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধি এবং প্রজনন সম্ভব হয়।
- 2. বছরের পরিক্রমায় সামঞ্জস্যপূর্ণ ঋতুবিন্যাস: ক্রান্তীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা ও দিনরাতের সময়ের মধ্যে খুব বেশি পরিবর্তন ঘটে না। এর ফলে জীবজগতের জন্য একটি স্থিতিশীল এবং প্রজননশীল পরিবেশ তৈরি হয়, যা প্রজাতির বৈচিত্র্য বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- 3. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি: এই অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর জন্য প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ করে। পর্যাপ্ত পানির প্রাপ্যতা উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং খাদ্যশৃঙ্খলকে শক্তিশালী করে, ফলে বাস্তুতন্ত্রে জীববৈচিত্র্য বাড়ে।
- 4. জটিল বাস্তুতন্ত্র: ক্রান্তীয় অঞ্চলের বনভূমি, বিশেষ করে ক্রান্তীয় বৃষ্টিঅরণ্য (rainforests), পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল বাস্তুতন্ত্রগুলোর একটি। এই ধরনের বাস্তুতন্ত্রে প্রচুর সংখ্যক প্রজাতি একে অপরের সাথে আন্তঃসম্পর্ক বজায় রেখে বাস করে। এতে প্রতিটি স্তরের জন্য বিশেষায়িত এবং নির্দিষ্ট প্রজাতি বিকাশ লাভ করে।
- 5. প্রাকৃতিক নির্বাচন ও বিবর্তন: ক্রান্তীয় অঞ্চল দীর্ঘকাল ধরে প্রজাতির বিবর্তনের জন্য একটি উপযুক্ত ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। এখানে প্রতিযোগিতা বেশি হওয়ায় প্রজাতিগুলো টিকে থাকার জন্য বিশেষ ধরনের অভিযোজন ঘটিয়েছে, ফলে নতুন নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়েছে।
- 6. খাদ্য ও আশ্রয়ের প্রাচুর্য: ক্রান্তীয় অঞ্চলের বনভূমিতে উদ্ভিদের প্রাচুর্য থাকায় খাদ্য ও আশ্রয় সহজলভ্য। এই প্রাচুর্য প্রাণীদের জন্য একটি স্থায়ী ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে, যা জীববৈচিত্র্যের জন্য উপযোগী।
