মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান - (দ্বিতীয় অধ্যায়) জীবনের প্রবমানতা প্রশ্ন ও উত্তর | Class 10th Madhyamik Life Science Question and Answer
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান - (দ্বিতীয় অধ্যায়) জীবনের প্রবমানতা প্রশ্ন ও উত্তর | Class 10th Madhyamik Life Science Question and Answer with Mock Test -নিচে দেওয়া হলো। WBBSE Class 10 Life Science Question and Answer, Suggestion, Notes – MCQ, Very Short, Short, Descriptive Question and Answer জীবনের প্রবমানতা (দ্বিতীয় অধ্যায়) থেকে বহুবিকল্পভিত্তিক, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রোচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর গুলি আগামী West Bengal Class 10th Ten X Life Science Examination – পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।
| ☛ Table of Contents |
জীবনের প্রবমানতা / The Reality of Life
- i. পুষ্টি: জীবের খাদ্য গ্রহণ ও তা থেকে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- ii. শ্বাসক্রিয়া: অক্সিজেন গ্রহণ এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে শক্তি উৎপাদন।
- iii. বর্জ্য নির্গমন: শারীরিক প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া বর্জ্য পদার্থ শরীর থেকে বের করে দেওয়া।
- iv. উত্তেজনশীলতা: পরিবেশ থেকে সংকেত গ্রহণ এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা।
- v. প্রজনন: জীবের নতুন বংশধর উৎপাদনের প্রক্রিয়া।
- vi. বৃদ্ধি ও বিকাশ: জীবের আকার, গঠন ও ক্ষমতার বৃদ্ধি।
পরীক্ষায় অংশ নিতে নিচের স্টার্ট বোতামে ক্লিক করুন
Time's Up
score:
Quiz Result
Total Questions:
Attempt:
Correct:
Wrong:
Percentage:
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – "জীবনের প্রবমানতা" MCQ প্রশ্নোত্তর | Madhyamik Life Science MCQ Question and Answer
1) অ্যামাইটোসিস কোশ বিভাজনের সঠিক বৈশিষ্ট্যটি শনাক্ত করোA) যৌন জননকারী জীবের জনন মাতৃকোশে ঘটেB) এটিকে পরোক্ষ বিভাজন বলা হয় C) ক্রোমোজোম ও বেমতত্ত্ব গঠিত হয় না D) ক্রোমোজোম ও বেমতত্ত্ব গঠিত হয় না Ans: D) ক্রোমোজোম ও বেমতত্ত্ব গঠিত হয় না । 2) মিয়োসিসের তাৎপর্য সংক্রান্ত নীচের কোন বক্তব্যটি সঠিক তা সঠিকভাবে নিরূপণ করো –A) দেহের সার্বিক বৃদ্ধি ও পরিস্ফুটন ঘটায়B) জীবের জনন অঙ্গের ও ভ্রুণের বৃদ্ধি ঘটায় C) বংশগত প্রকরণবাহী হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপাদন করে D) কোনো কোনো প্রাণীর দেহে কোনো অঙ্গহানি ঘটলে সেটি পুনরুৎপাদন করে Ans: C) বংশগত প্রকরণবাহী হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপাদন করে 3) সঠিক জোড়টি নির্বাচন করো এবং লেখোA) বহুবিভাজন- হাইড্রাB) খন্ডীভবন স্পাইরোগাইরা C) পুনরুৎপাদন ফার্ন D) কোরকোগম প্ল্যানেরিয়া Ans: B) খন্ডীভবন স্পাইরোগাইরা 4) নীচের কোন উদ্ভিদ অধবায়ব কাণ্ডের সাহায্যে জনন সম্পন্ন করে ?A) কচুরিপানাB) আদা C) পাথরকুচি D) জবা Ans: A) কচুরিপানা 5) কোশচক্রের যে দশায় DNA অণুর সংশ্লেষ ঘটে সেটি হলো-A) GB) S C) G2 D) M Ans: B) S 6) সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমোজোম প্রধানতA) দুই প্রকারB) তিন প্রকার C) চার প্রকার D) কোনো প্রকারভেদ নেই Ans: C) চার প্রকার 7) যে নাইট্রোজেন বেসটি DNA- তে থাকে না কিন্তু RNA- তে থাকে সেটি হলো—A) অ্যাডেনিনB) গুয়ানিন C) থাইমিন D) ইউরাসিল Ans: D) ইউরাসিল |
8) মানবদেহে বৃদ্ধির 12 থেকে 20 বছর বয়স পর্যন্ত দশাকে বলা হয় –A) শৈশব দশাB) বয়ঃসন্ধি দশা C) পরিণত দশা D) বার্ধক্য দশা Ans: B) বয়ঃসন্ধি দশা 9) যৌন জননের একক হলো—A) রেণুB) গ্যামেট C) শুক্রাশয় D) ডিম্বাশয় Ans: B) গ্যামেট 10) নীচের কোন প্রাণীর কোরকোগম দেখা যায় ?A) হাইড্রাB) অ্যামিবা C) চ্যাপ্টা কৃমি D) প্যারামেসিয়াম Ans: A) হাইড্রা 11) প্রতিটি ক্রোমোজোমে ক্রোমাটিডের সংখ্যা হলো—A) 2B) 4 C) 6 D) 8 Ans: A) 2 12) DNA- এর গঠনগত একক হলো—A) নিউক্লিওসাইডB) নিউক্লিওটাইড C) নিউক্লিওলাস D) কোনোটিই নয় Ans: B) নিউক্লিওটাইড 13) কোশ বিভাজনের যে দশায় নিউক্লিয় পর্দা বিলুপ্ত হয় সেটি হলো–A) প্রোফেজB) মেটাফেজ C) অ্যানাফেজ D) টেলোফেজ Ans: A) প্রোফেজ 14) প্লাজমোডিয়ামের জনন পদ্ধতি হলোA) দ্বিবিভাজনB) বহুবিভাজন C) কোরকোগম D) খণ্ডীভবন Ans: B) বহুবিভাজন |
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবনের প্রবমানতা অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Life Science Very Short Question and Answer
1) কোন প্রকার কোশ বিভাজনকে সমবিভাজন বলে ?Ans: মাইটোসিস কোশ বিভাজন ৷2) মিয়োসিস পদ্ধতিতে উৎপন্ন অপত্য কোশের সংখ্যা কত ?Ans: চার ।3) অযৌন জননের একককে কী বলে ?Ans: রেণু ( Spore ) ।4) খণ্ডীভবন দেখা যায় এমন একটি উদ্ভিদের উদাহরণ দাও ।Ans: স্পাইরোগাইরা ।5) বহুবিভাজনের একটি উদাহরণ দাও ।Ans: প্লাসমোডিয়াম ।6) যৌন জননের একককে কী বলে ?Ans: গ্যামেট ।7) কোন প্রকার কোশ বিভাজনে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হ্রাস ঘটে ?Ans: মিয়োসিস কোশ বিভাজন ।8) মানুষের দৈহিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী ক্রোমোজোমকে কী বলে ?Ans: অটোজোম । |
9) DNA- এর দ্বিতন্ত্রী নকশা কে আবিষ্কার করেন ?Ans: বিজ্ঞানী ওয়াটসন ও ক্রিক ।10) DNA- এর পুরো নাম কী ?Ans: ডি -অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড ।11) ইন্টারকাইনেসিস দশা কোথায় দেখা যায় ?Ans: মিয়োসিস -1 ও মিয়োসিস- II- এর মধ্য পর্যায়ে।12) কোন প্রকার কোশ বিভাজনে বেম বা স্পিন্ডিল গঠিত হয় না ?Ans: অ্যামাইটোসিস কোশ বিভাজনে বেম গঠিত হয় না ।14) ক্রোমোজোমের শেষ প্রান্তকে কী বলে ?Ans: টেলোমিয়ার ।14) মুলের সাহায্যে প্রাকৃতিক অঙ্গজ জননের একটি উদাহরণ দাও ।Ans: রাঙা আলু বা লাল ।15) একটি অর্ধবায়বীয় কাণ্ডের উদাহরণ দাও ।Ans: কচুরিপানা ।16) কোন প্রকার জনন পদ্ধতি প্রকরণ সৃষ্টি করে এবং বিবর্তনে সাহায্য করে ?Ans: যৌনজনন । |
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবনের প্রবমানতা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | Madhyamik Life Short Science Question and Answer
1) জনন কাকে বলে ?Ans: যে পদ্ধতিতে জীব নিজ আকৃতি বিশিষ্ট অপত্য জীব সৃষ্টির মাধ্যমে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখে এবং সংখ্যার বৃদ্ধি করে তাকে জনন বলে ।2) বয়ঃসন্ধিকাল কাকে বলে ?Ans: ১২-২০ বছর পর্যন্ত সময়কালকে বয়ঃসন্ধিকাল বলে । এইসময় ছেলে ও মেয়েদের গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় ও যৌন হরমোন ক্ষরণ হয় ।3) মাইক্রোপ্রোপাগেশন কাকে বলে ?Ans: যে পদ্ধতিতে উদ্ভিদের কোশ , কলা বা অঙ্গ প্রভৃতির ক্ষুদ্রতম অংশ কর্ষণ করে অল্প সময়ে একইরকমের উদ্ভিদের বংশবিস্তার ঘটানো হয় তাকে মাইক্রোপ্রোপাগেশন বা অণুবিস্তারণ বলে ।4) অণুবিস্তারণ বা মাইক্রোপ্রোপাগেশনের দু’টি সুবিধা উল্লেখ করো ।Ans: উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত অসংখ্য উদ্ভিদ অল্প সময়ে সৃষ্টি করা যায় । ও রোগমুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি করা যায় ৷5) ক্রোমোজোমের সংজ্ঞা দাও ।Ans: ক্রোমোজোমের সংজ্ঞা : ইউক্যারিওটিক কোশের নিউক্লিয় জালক থেকে সৃষ্ট , নিউক্লিয় প্রোটিন দ্বারা গঠিত , স্বপ্রজননশীল যে সূত্রাকার অংশ জিন বহন করে ও বংশগত বৈশিষ্ট্যাবলির বিস্তার ঘটায় এবং জীবের পরিব্যক্তি , প্রকরণ ও বিবর্তনে সাহায্য করে তাকে ক্রোমোজোম বলে ।6) কোশচক্র কাকে বলে ? কোশচক্রের দশাগুলির নাম লেখো ।Ans: কোশচক্র : একটি কোশের একবার বিভাজন শুরু থেকে পরবর্তী বিভাজন | শুরু পর্যন্ত যে ঘটনাগুলি ঘটে তার পর্যায়ক্রমিক আবর্তনকে কোশচক্র বলে । কোশচক্রের দশাগুলি হলো— G , S , G , ও M দশা ।7) হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড বলতে কী বোঝায় ?Ans: অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোম সেটকে বা n সংখ্যক ক্রোমোজোমকে হ্যাপ্লয়েড বলে এবং দ্বিগুণ সংখ্যক বা 2n সংখ্যক ক্রোমোজোমকে ডিপ্লয়েড সেট বলে । উদাহরণ : মানুষের গ্যামেট হ্যাপ্লয়েড প্রকৃতির ও দেহকোশ ডিপ্লয়েড প্রকৃতির ।8) DNA- এর দু’টি কাজ লেখো ।Ans: বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে । ORNA ও প্রোটিন সংশ্লেষ করে । প্রশ্ন অঙ্গজ জননের সংজ্ঞা দাও । যে জনন পদ্ধতিতে জীব তার দেহের কোনো অংশ বা অঙ্গ থেকে নিজ আকৃতিবিশিষ্ট অপত্য জীব সৃষ্টি করে তাকে অঙ্গজ জনন বলে ।9) অযৌন জননের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা লেখো ।Ans: অযৌন জননের একটি সুবিধা ও একটি অসুবিধা হলো —
10) অপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস কী ? উদাহরণ দাও ।Ans: নিষেক ছাড়াই অনিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে অপত্য জীব সৃষ্টিকে অপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস বলে । উদাহরণ : স্পাইরোগাইরা , বোলতা , মৌমাছি ইত্যাদি ।11) জনুক্রম কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।Ans: জীবের জীবনচক্রে হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড দশা বা অযৌন ও যৌন জনন দশা বা স্পোরোফাইট ও গ্যামেটোফাইট দশার চক্রাবর্ত আবর্তনকে জনুক্রম বলে । উদাহরণ : উদ্ভিদ – মস , ফার্ন ইত্যাদি । প্রাণী— প্যারামেসিয়াম , মনোসিস্ট ইত্যাদি । |
12) গ্যামেট কী ? এটি কত প্রকারের ও কী কী ?Ans: যৌন জননের একককে গ্যামেট বলে । — এটি দুই প্রকার । যথা – i) পুংগ্যামেট বা শুক্রাণু এবং i) স্ত্রীগ্যামেট বা ডিম্বাণু ।13) অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।Ans: যে পদ্ধতিতে মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভাজিত ( নিউক্লিও পর্দা অবলুপ্তি ও বেমতত্ত্ব গঠন ছাড়া ) হয়ে দু’টি অপত্য কোশ উৎপন্ন করে তাকে অ্যামাইটোসিস কোশ বিভাজন বলে । উদাহরণ : ইস্ট , অ্যামিবা , ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে দেখা যায় ।14) সেন্ট্রোমিয়ার কাকে বলে ।Ans: ক্রোমোজোমের মুখ্য খাঁজে অবস্থিত যে গোলাকার গঠনটি দু’টি ক্রোমাটিডকে যুক্ত করে রাখে তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে ।15) ক্রোমোজোমের দু’টি কাজ লেখো ।Ans: ক্রোমোজোমে বংশগত পদার্থ অর্থাৎ জিন অবস্থান করে । ও ক্রোমোজোম কোশের সমস্ত শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে ।16) ক্রসিং ওভার কাকে বলে ?Ans: মিয়োসিসের -1 এর প্রোফেজ 1 – এর প্যাকাইটিন উপদশায় সমসংস্থ ক্রোমোজোমদ্বয়ের নন – সিস্টার ক্রোমাটিড দু’টির মধ্যে কায়াজমা ( X- এর মতো গঠন ) গঠিত হয় এবং ক্রোমোজোমের দেহাংশের বিনিময় সম্পন্ন হয় । একে ক্রসিং ওভার বলে ।17) RNA কত প্রকার ও কী কী ? এর কাজ কী ?Ans: তিন প্রকারের , যথা—
18) মাইক্রোটিবিউলস কী ? এর কাজ কী ?Ans: উদ্ভিদ ও প্রাণীকোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত সুক্ষ্ম নালিকাগুলিকে মাইক্রোটিবিউলস বলে । কাজ : জল , আয়ন পরিবহণ করে । ওকোশ বিভাজনের সময় বেমতত্ত্ব ও অ্যাস্টার গঠন করে ।19) একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের পাতার কোশে ক্রোমোজোম সংখ্যা 18 হলে তার সস্যে ও জননকোশে ক্রোমোজোম সংখ্যা কত হবে ?Ans: পাতার কোশ ডিপ্লয়েড , 2n = 18 জননকোশে ক্রোমোজোমের সংখ্যা n = 9 M সস্যের ক্রোমোজোম সংখ্যা 3n = 3×9 = 2720) ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ কাকে বলে ?Ans: কোনো জীবের বৈশিষ্ট্যাবলির বাহ্যিক প্রকাশকে ওই জীবের ফিনোটাইপ এবং জিন সংযুক্তির দ্বারা নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যকে তার জিনোটাইপ বলে ।21) অ্যালিল বা অ্যালিলোমর্ফ কী ?Ans: সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট বিন্দুতে অবস্থিত বিপরীতধর্মী জিনজোড়াকে একে অপরের অ্যালিল বলে । যেমন— লম্বা বেঁটে , সাদা – কালো ইত্যাদি ।22) মিয়োসিস কোশ বিভাজনকে হ্রাসবিভাজন বলে কেন ?Ans: এই প্রকার কোশ বিভাজনে মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম পর পর দুইবার বিভাজিত হয় এবং মাতৃকোশের অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোমযুক্ত চারটি অপত্য কোশ উৎপন্ন করে । তাই মিয়োসিসকে হ্রাসবিভাজন বলে । |
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবনের প্রবমানতা রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Life Science Descriptive Question and Answer
1) পরাগযোগ কাকে বলে?
পরাগযোগ (Pollination) হলো ফুলের পুরুষ অংশের (পুংকেশর বা পুংদণ্ডের পরাগকোষ) থেকে উৎপন্ন পরাগরেণু (pollen grains) ফুলের স্ত্রী অংশের (গর্ভকেশর বা গর্ভদণ্ডের গর্ভমুণ্ডে) স্থানান্তর প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদের প্রজনন ঘটে এবং বীজ উৎপন্ন হয়। পরাগযোগ সাধারণত দুটি ধরনের -- i. স্ব-পরাগযোগ (Self-Pollination): যখন একই ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু সেই একই ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়। এটি সাধারণত স্ব-পরাগী উদ্ভিদে ঘটে।
- ii. পর-পরাগযোগ (Cross-Pollination): যখন এক ফুলের পুংকেশর থেকে পরাগরেণু অন্য একটি ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হয়। এটি সাধারণত পতঙ্গ, বায়ু, জল বা অন্যান্য বাহকদের মাধ্যমে ঘটে।
2) সাইটোকাইনেসিস কাকে বলে ? উদ্ভিদ ও প্রাণীকোশের সাইটোকাইনেসিস বর্ণনা করো ।
সাইটোকাইনেসিস (Cytokinesis) হলো কোষ বিভাজনের শেষ ধাপ, যেখানে কোষের সাইটোপ্লাজম দুটি কন্যা কোষে বিভক্ত হয়। এটি মাইটোসিস বা মিয়োসিসের পরে ঘটে এবং এর মাধ্যমে দুটি নতুন কোষ তৈরি হয়, যাদের প্রত্যেকটির নিজস্ব নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম থাকে।উদ্ভিদ ও প্রাণীকোশের সাইটোকাইনেসিসের মধ্যে পার্থক্য:
উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের সাইটোকাইনেসিস প্রক্রিয়ায় কিছু পার্থক্য রয়েছে -1. প্রাণীকোশের সাইটোকাইনেসিস:
- i) প্রাণী কোষে সাইটোকাইনেসিস "ক্লিভেজ ফারো" (cleavage furrow) নামে পরিচিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
- ii) কোষের প্লাজমা ঝিল্লি সংকুচিত হয়ে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়।
- iii) ফারোটি আঙটির মতো সংকুচিত হয়ে কোষের মাঝামাঝি অংশকে চেপে ধরে, এবং শেষ পর্যন্ত সেল ঝিল্লি দুটি আলাদা কোষে বিভক্ত হয়ে যায়।
- iv) এই প্রক্রিয়ায় অ্যাকটিন ও মায়োসিন ফিলামেন্টের ভূমিকা থাকে, যা কোষের ঝিল্লিকে সংকুচিত করে।
2. উদ্ভিদকোশের সাইটোকাইনেসিস:
- i) উদ্ভিদ কোষের ক্ষেত্রে কোষ প্রাচীর থাকার কারণে ক্লিভেজ ফারো গঠিত হয় না।
- ii) পরিবর্তে, সেল প্লেট (cell plate) নামক একটি গঠন কোষের মাঝখানে তৈরি হয়।
- iii) গলগি বডি থেকে উৎপন্ন ভেসিকলগুলো সেল প্লেট তৈরি করতে একত্রিত হয়, যা ধীরে ধীরে নতুন কোষ প্রাচীরের রূপ নেয় এবং কোষকে দুটি ভাগে বিভক্ত করে।
- iv) এই প্রক্রিয়া উদ্ভিদ কোষের অনমনীয় প্রাচীরের কারণে প্রাণী কোষের থেকে ভিন্নভাবে ঘটে।
সংক্ষেপে:
- প্রাণী কোষে : সাইটোকাইনেসিসে প্লাজমা ঝিল্লি সংকুচিত হয় এবং দুটি কোষে বিভক্ত হয়।
- উদ্ভিদ কোষে : কোষের মাঝখানে সেল প্লেট গঠিত হয়, যা পরে নতুন কোষ প্রাচীরের রূপ নেয়।
3) DNA কী? DNA- এর রাসায়নিক উপাদানগুলি উল্লেখ করো ।
DNA (ডিএনএ) বা ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (Deoxyribonucleic acid) হলো জীবের জিনগত উপাদান যা জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ ও বহন করে। এটি প্রতিটি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে উপস্থিত থাকে এবং জীবের বিকাশ, বৃদ্ধি, কার্যকলাপ এবং বংশগতি নিয়ন্ত্রণ করে।DNA-এর রাসায়নিক উপাদানগুলি:
DNA মূলত চারটি প্রধান রাসায়নিক উপাদান বা নিউক্লিওটাইড নিয়ে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইড তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:- i) একটি ফসফেট গ্রুপ (Phosphate group)
- ii) একটি ডিঅক্সিরাইবোজ চিনি (Deoxyribose sugar), যা পাঁচটি কার্বনের একটি চিনি।
- ii) একটি নাইট্রোজেন বেস (Nitrogenous base)
A) পিউরিন বেস:
- i. অ্যাডেনিন (Adenine - A)
- ii. গুয়ানিন (Guanine - G)
B) পিরিমিডিন বেস:
- i. সাইটোসিন (Cytosine - C)
- ii. থাইমিন (Thymine - T)
DNA-এর গঠন:
- i) DNA একটি ডাবল হেলিক্স গঠন তৈরি করে, যেখানে দুটি পলিনিউক্লিওটাইড শৃঙ্খল একে অপরের সাথে ঘূর্ণিত অবস্থায় থাকে।
- ii) এই শৃঙ্খলগুলির মধ্যে অ্যাডেনিন সবসময় থাইমিনের সাথে এবং গুয়ানিন সবসময় সাইটোসিনের সাথে হাইড্রোজেন বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে, যা বেস জোড় গঠন করে (A-T এবং G-C)।
সংক্ষেপে:
DNA-এর চারটি প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো নাইট্রোজেন বেস, যা নিউক্লিওটাইডের অংশ হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো:- i) অ্যাডেনিন (Adenine - A)
- ii) থাইমিন (Thymine - T)
- iii) গুয়ানিন (Guanine - G)
- iv) সাইটোসিন (Cytosine - C)
4) নিষেক কাকে বলে ? সপুষ্পক উদ্ভিদের নিষেক পদ্ধতি এবং নতুন উদ্ভিদ গঠন সংক্ষেপে আলোচনা করো।
নিষেক (Fertilization) হলো প্রজননের সেই প্রক্রিয়া, যেখানে পুরুষ গ্যামেট (স্পার্ম কোষ) ও স্ত্রী গ্যামেট (ডিম্বাণু) একত্রিত হয়ে জাইগোট (Zygote) তৈরি করে। নিষেকের মাধ্যমে নতুন জীবের শুরু হয় এবং এটি সপুষ্পক উদ্ভিদের প্রজননের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।সপুষ্পক উদ্ভিদের নিষেক পদ্ধতি:
i. পরাগযোগ (Pollination):
- * প্রথমে, পুংকেশরের পরাগরেণু (pollen grains) গর্ভকেশরের গর্ভমুণ্ডে (stigma) পড়ে।
- * পরাগরেণুর একটি নল তৈরি হয়, যা গর্ভকেশরের মধ্য দিয়ে গর্ভাশয়ে পৌঁছায়।
ii. নিষেক প্রক্রিয়া:
- * পরাগরেণু থেকে একটি পুরুষ গ্যামেট পরাগনলের মাধ্যমে গর্ভাশয়ের ডিম্বাণুতে পৌঁছায়।
- * ডিম্বাণুতে একটি পুরুষ গ্যামেট ডিম্বাণুর সাথে মিলে যায়, যার ফলে একটি জাইগোট (zygote) তৈরি হয়।
- * এই নিষেকের প্রক্রিয়াটিকে দ্বিগুণ নিষেক (double fertilization) বলা হয়, কারণ উদ্ভিদের ক্ষেত্রে দুটি পুরুষ গ্যামেট থাকে, যার মধ্যে একটি ডিম্বাণুর সাথে এবং অন্যটি পোলার নিউক্লিয়াসের সাথে মিলে এন্ডোস্পার্ম (Endosperm) তৈরি করে। এন্ডোস্পার্ম নতুন উদ্ভিদের পুষ্টির যোগান দেয়।
নতুন উদ্ভিদ গঠন:
i. জাইগোট থেকে ভ্রূণ গঠন:
- নিষেকের পরে, জাইগোট কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ (Embryo) তৈরি করে।
ii. বীজ গঠন:
- ভ্রূণ থেকে বীজ তৈরি হয়। বীজের মধ্যে থাকে ভ্রূণ, এন্ডোস্পার্ম, এবং বীজের আবরণ।
iii. অঙ্কুরোদগম (Germination):
- যখন বীজটি পরিবেশের অনুকূল পরিস্থিতিতে পৌঁছায় (যেমন পানি, তাপমাত্রা, এবং আলো), তখন এটি অঙ্কুরিত হয় এবং একটি নতুন উদ্ভিদ তৈরি হয়।
5) মাইটোসিস কাকে বলে ? মাইটোসিস কোশ বিভাজনের প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ দশার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো
মাইটোসিস হলো কোষ বিভাজনের একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি অভিভাবক কোষ বিভক্ত হয়ে দুটি কন্যা কোষ তৈরি করে। কন্যা কোষগুলো অভিভাবক কোষের মতোই সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম পায় এবং জিনগতভাবে অভিন্ন হয়। এটি শরীরের বৃদ্ধি, ক্ষত নিরাময়, এবং নতুন কোষের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাইটোসিস প্রধানত সোমাটিক কোষগুলোতে (দেহকোষ) ঘটে।মাইটোসিস কোষ বিভাজনের ধাপ:
মাইটোসিস সাধারণত চারটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়:- 1. প্রোফেজ (Prophase)
- 2. মেটাফেজ (Metaphase)
- 3. অ্যানাফেজ (Anaphase)
- 4. টেলোফেজ (Telophase)
1. প্রোফেজ (Prophase):
মাইটোসিসের প্রথম ধাপ, যেখানে কোষের অভ্যন্তরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।- i) ক্রোমোজোম সংকোচন ও দৃশ্যমান হওয়া: নিউক্লিয়াসে থাকা ক্রোমাটিন ফাইবারগুলি সংকুচিত হয়ে দৃশ্যমান ক্রোমোজোমে রূপান্তরিত হয়।
- ii) সিস্টার ক্রোমাটিড গঠন: প্রতিটি ক্রোমোজোম দুইটি অনুরূপ সিস্টার ক্রোমাটিডে বিভক্ত থাকে, যা সেন্ট্রোমিয়ার দ্বারা যুক্ত থাকে।
- iii) নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ভেঙে যাওয়া: নিউক্লিয়ার মেমব্রেন বা নিউক্লিয়ার এনভেলপ ধীরে ধীরে ভেঙে যায় এবং ক্রোমোজোমগুলো সাইটোপ্লাজমে চলে আসে।
- iv) স্পিন্ডল ফাইবার গঠন: সেন্ট্রিওল থেকে স্পিন্ডল ফাইবার তৈরি হয়, যা ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার অংশের সাথে যুক্ত হয়।
2. মেটাফেজ (Metaphase):
মাইটোসিসের দ্বিতীয় ধাপ, যেখানে ক্রোমোজোমগুলো কোষের কেন্দ্রে সারিবদ্ধ হয়।- i) মেটাফেজ প্লেটে ক্রোমোজোমের অবস্থান: ক্রোমোজোমগুলো কোষের কেন্দ্রীয় সমতলে (মেটাফেজ প্লেট) সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে।
- ii) স্পিন্ডল ফাইবার ক্রোমোজোমের সাথে যুক্ত: স্পিন্ডল ফাইবারগুলো ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং টান তৈরির জন্য প্রস্তুত থাকে।
- iii) সমান বিভাজনের প্রস্তুতি: ক্রোমোজোমগুলো সারিবদ্ধভাবে থাকে, যাতে অ্যানাফেজে তাদের সমানভাবে বিভক্ত করা যায়।
3. অ্যানাফেজ (Anaphase):
মাইটোসিসের তৃতীয় ধাপ, যেখানে ক্রোমোজোমের সিস্টার ক্রোমাটিড আলাদা হয়ে দুটি দিকে সরে যায়।- i) ক্রোমাটিডের বিভাজন: সেন্ট্রোমিয়ার বিভক্ত হয় এবং সিস্টার ক্রোমাটিড আলাদা হয়ে যায়, প্রতিটি ক্রোমাটিড একটি কন্যা ক্রোমোজোমে রূপান্তরিত হয়।
- ii) ক্রোমাটিডের বিপরীত দিকে সরানো: স্পিন্ডল ফাইবারগুলোর টানের মাধ্যমে ক্রোমাটিডগুলো কোষের দুই বিপরীত মেরুর দিকে সরানো হয়।
- iii) কেন্দ্র থেকে দূরে সরে যাওয়া: ক্রোমাটিডগুলো কোষের কেন্দ্রীয় অঞ্চল থেকে দূরে চলে যায়, এবং প্রতিটি মেরুতে সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
4. টেলোফেজ (Telophase):
মাইটোসিসের শেষ ধাপ, যেখানে কোষ বিভাজনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়।- i) নিউক্লিয়ার মেমব্রেন পুনর্গঠন: ক্রোমোজোমগুলোর চারপাশে নতুন নিউক্লিয়ার মেমব্রেন তৈরি হয়, যা নিউক্লিয়াস পুনরায় গঠন করে।
- ii) ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিনে পরিণতি: ক্রোমোজোমগুলো পুনরায় ক্রোমাটিন ফাইবারে রূপান্তরিত হয়, যা প্রথমে সংকুচিত ছিল।
- iii) সাইটোকাইনেসিস: সাইটোপ্লাজম বিভাজিত হয়ে দুটি পৃথক কন্যা কোষ তৈরি হয়, প্রতিটি কোষে সম্পূর্ণ জিনগত উপাদান থাকে।
- i. মিয়োসিস I (Meiosis I) : এখানে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়।
- ii. মিয়োসিস II (Meiosis II) : এটি মাইটোসিসের মতো, যেখানে প্রতিটি কন্যা কোষে ক্রোমাটিড বিভাজিত হয়।
- * প্রাণীদের ক্ষেত্রে, পুরুষের অণ্ডকোষে (Testes) এবং নারীর ডিম্বাশয়ে (Ovaries) মিয়োসিস ঘটে।
- * উদ্ভিদের ক্ষেত্রে, পুরুষ ও স্ত্রী গ্যামেট উৎপাদনকারী অঙ্গে মিয়োসিস ঘটে।
- i. অর্ধেক ক্রোমোজোম সংখ্যা নিশ্চিত করা: মিয়োসিসের মাধ্যমে উৎপন্ন গ্যামেটগুলোতে অভিভাবক কোষের অর্ধেক ক্রোমোজোম থাকে (হ্যাপলয়েড)। যৌন প্রজননের সময় যখন দুটি গ্যামেট মিলিত হয়, তখন পূর্ণ (ডিপ্লয়েড) ক্রোমোজোম সংখ্যা পুনরুদ্ধার হয়, যা বংশগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।
- ii. জেনেটিক বৈচিত্র্য: মিয়োসিসের সময় ক্রসিং ওভার (Crossing over) এবং স্বাধীন ক্রোমোজোম বিন্যাস (Independent assortment) ঘটে, যার ফলে জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়। এ বৈচিত্র্য প্রজননের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসতে সহায়ক হয়।
- iii. বংশগতির ভারসাম্য রক্ষা: মিয়োসিস ক্রোমোজোম সংখ্যা ঠিক রেখে প্রজাতির জিনগত বৈশিষ্ট্যকে স্থিতিশীল রাখে। এতে করে প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় না।
6) মিয়োসিস কোশ বিভাজন কাকে বলে ? এটি কোথায় সম্পন্ন হয় ? এর তাৎপর্য উল্লেখ করো।
মিয়োসিস হলো বিশেষ ধরণের কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে একটি কোষ থেকে চারটি হ্যাপলয়েড (n) কন্যা কোষ তৈরি হয়, প্রতিটি কোষে অভিভাবক কোষের অর্ধেক ক্রোমোজোম সংখ্যা থাকে। এটি যৌন জনন প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়, যেখানে গ্যামেট বা জনন কোষ (ডিম্বাণু ও শুক্রাণু) তৈরি হয়।মিয়োসিস কোষ বিভাজনের ধাপ:
মিয়োসিস প্রধানত দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়:মিয়োসিস কোথায় সম্পন্ন হয়?
মিয়োসিস সাধারণত প্রাণী ও উদ্ভিদের গনাডস (Gonads) বা জনন গ্রন্থিতে সম্পন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ:-মিয়োসিসের তাৎপর্য:
সংক্ষেপে:
মিয়োসিস হলো এমন একটি কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া, যা যৌন জননের জন্য গ্যামেট তৈরি করে এবং জিনগত বৈচিত্র্য ও বংশগতির ভারসাম্য রক্ষা করে। এটি গনাডস বা জনন গ্রন্থিতে সম্পন্ন হয় এবং প্রজাতির জিনগত বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।Read more / আরও পড়ুন
সর্বশেষ কিছু কথা
এই আর্টিকেলটি তথ্য এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। এতে দেওয়া তথ্যের সঠিকতা, পূর্ণতা, বা বর্তমানতার জন্য লেখক বা প্রকাশকের কোনও নিশ্চয়তা নেই। যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে, পাঠককে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।এই আর্টিকেলে ব্যবহৃত তথ্য বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত এবং পাঠকদের সুবিধার জন্য প্রদত্ত। তবে, প্রতিটি ব্যক্তির বা পরিস্থিতির জন্য তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা ভিন্ন হতে পারে। সুতরাং, লেখক বা প্রকাশক কোনওরূপ ক্ষতি বা ক্ষতির জন্য দায়ী হবে না যা এই আর্টিকেল পড়ার কারণে হতে পারে।
বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হতে পারে, এবং এর সময়মতো হালনাগাদ করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য পাঠককে অতিরিক্ত উৎস বা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এই আর্টিকেলটি কোনো বিশেষজ্ঞ পরামর্শ বা পরামর্শের বিকল্প নয় এবং এটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হওয়া উচিত।
